From rice and oil to rent — experiences and proposals about the cost of living.
3 opinions
সেপ্টেম্বরের ১৯ তারিখে গেজেট হলো নবম জাতীয় বেতনকাঠামো, যাকে সবাই বলছেন নতুন পে স্কেল। সরকারি চাকরির সবচেয়ে নিচের ধাপে মূল বেতন ৮,২৫০ থেকে বেড়ে হচ্ছে ২০,০০০ টাকা, সবচেয়ে ওপরের ধাপে ৭৮,০০০ থেকে ১,৫৬,০০০ টাকা [১]। এগারো বছর পর এই সমন্বয়; এর মধ্যে জিনিসপত্রের দাম অনেক বেড়েছে, তাই সরকারি কর্মচারীদের দাবিটা অন্যায্য নয়। কিন্তু একই বাজারে বাজার করেন পোশাকশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, রিকশাচালক, বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক, কৃষিশ্রমিক; যাঁদের বেতন কোনো গেজেটে বাড়ে না। আমরা গেজেটের খবর, বাজেট, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মজুরি ও মূল্যস্ফীতির হিসাব,…
বাজারের থলে হাতে যিনিই বের হন, তিনি জানেন গত চার বছরে সংসারের হিসাব আর মেলে না। খবরে আসে মূল্যস্ফীতির হার কমছে, কিন্তু দোকানে দাম নামে না; কমে শুধু বাড়ার গতি। এর মধ্যে মানুষের মজুরি দামের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেনি সাড়ে চার বছরের বেশি সময় ধরে। আমরা পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাসিক হিসাব, বাংলাদেশ ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন, প্রতিযোগিতা কমিশনের রায়, সিপিডির মাঠ-থেকে-দোকান গবেষণা আর বাজারের খবর মিলিয়ে বোঝার চেষ্টা করেছি: দাম কেন বাড়ে, কেন নামে না, আর সরকারের এত উদ্যোগ কেন কম কাজে লাগে। এই লেখা সেই অনুসন্ধানের সারসংক্ষেপ, আর শেষে আমাদের প্র…
সকালে যে দামে পেঁয়াজ কিনেছি, বিকেলে সেটাই বেড়ে গেছে। চাল, ডাল, তেল, ডিম, সবজি—কোনোটাই গত বছরের দামে নেই। মধ্যবিত্ত হিসাব করে চলে, কিন্তু নিম্ন আয়ের মানুষ এখন হিসাব করার সুযোগও পাচ্ছে না; তারা খাবারের পরিমাণ কমাচ্ছে। সমস্যাটা শুধু বিশ্ববাজার নয়। পাইকারি থেকে খুচরা পর্যন্ত কয়েক হাত ঘুরে দাম দ্বিগুণ হয়ে যায়, আর তদারকি হয় কেবল ঘোষণায়। আমরা চাই বাজার মনিটরিং নিয়মিত হোক, কারা মজুত করছে তার তালিকা প্রকাশ হোক, আর টিসিবির ট্রাক শুধু শহরে নয়, উপজেলায়ও যাক। বেতন যদি না বাড়ে, অন্তত দামের লাগাম টানুন। একটা পরিবার শুধু বেঁচে থাকার জন্য…
You have reached the end.