Roads, public transport, congestion and passenger safety.
2 opinions
ঢাকার যেকোনো মোড়ে এক মিনিট দাঁড়ালে এখন একটা দৃশ্য অবধারিত: নীল-সবুজ ছাউনির ব্যাটারি রিকশা, সামনে-পেছনে দুই সারি যাত্রী, একটানা হর্ন, আর উল্টো পথে হঠাৎ ঘুরে যাওয়া। গাড়িটা সস্তা, দ্রুত আর সব গলিতে ঢোকে; তাই মানুষ এটাতেই ওঠে। আবার এই গাড়িটাই এখন শহরের গতি, বিদ্যুৎ আর রাস্তার নিরাপত্তার ওপর সবচেয়ে বড় চাপ। আমরা কয়েক সপ্তাহ ধরে সরকারি বক্তব্য, আদালতের আদেশ, বুয়েটের গবেষণা আর মাঠের জরিপ মিলিয়ে দেখেছি। এই লেখাটা সেই অনুসন্ধানের সারসংক্ষেপ, আর শেষে আমাদের প্রস্তাব। ১. এক দশকে ২১ থেকে ৫ কিলোমিটার ব্যাটারি রিকশা আসার আগেই ঢাকা থেমে…
প্রতিদিন খবরে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা দেখি, আর প্রতিদিন সেটা স্বাভাবিক হয়ে যায়। ফিটনেসহীন বাস, লাইসেন্স ছাড়া চালক, ফুটপাত দখল—কোনোটাই নতুন নয়। মেট্রোরেল ঢাকার একটা অংশকে স্বস্তি দিয়েছে, কিন্তু স্টেশন পর্যন্ত যাওয়ার বাস নেই। বাস ভাড়া বাড়ে, সেবা বাড়ে না। ঢাকার বাইরে মহাসড়কে রাতের বাস চলে যেন কারও দায় নেই। আমাদের প্রস্তাব: প্রতিটি বাসের ফিটনেস ও চালকের লাইসেন্স কিউআর কোডে যাত্রী নিজেই দেখতে পারুক, দুর্ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হোক, আর গণপরিবহনে নারী ও শিশুর জন্য নির্ধারিত আসন কাগজে নয়, বাস্তবে থাকুক।
You have reached the end.