সেপ্টেম্বর শেষ হওয়ার আগেই এ বছর ডেঙ্গুর সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাস হয়ে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত এ বছর ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২৩৩ জন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৫,৭৩০ জন [১]। এর মধ্যে ১৩৬টি মৃত্যু শুধু সেপ্টেম্বরের ২৮ দিনে, যেখানে জানুয়ারি থেকে আগস্টের আট মাসে মৃত্যু ছিল ৯৭ (আমাদের হিসাব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য থেকে) [১, ৩]। ২৭ সেপ্টেম্বর এক দিনে ২,১৫৮ জন ভর্তি হয়েছেন, এ বছরের সর্বোচ্চ [২, ৪]। আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনিক তথ্য, আইইডিসিআর ও সিটি করপোরেশনের জরিপ, কীটতত্ত্ববিদদের বিশ্লেষণ আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নি…
সরকারি হাসপাতালে সিট নেই, ওষুধ নেই, পরীক্ষা করাতে হয় বাইরে থেকে। বেসরকারি হাসপাতালে ঢুকলেই বিল এমন যে একটা বড় অসুখ মানে একটা পরিবারের সঞ্চয় শেষ। এই কারণেই অনেকে চিকিৎসা নেন না, বা দেরি করেন। ওষুধের দাম বছরে কয়েকবার বাড়ে, অথচ কোনো ব্যাখ্যা নেই। উপজেলা হাসপাতালে পদ থাকলেও ডাক্তার থাকেন না। যাদের সামর্থ্য আছে তারা বিদেশে যান; যাদের নেই তারা ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেন। আমরা চাই অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম সরকার ঠিক করে দিক এবং তা মানা হোক, উপজেলা পর্যায়ে ডাক্তার থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত হোক, আর প্রতিটি হাসপাতালের পরীক্ষার ফি বোর্ডে টাঙানো থাকুক।
You have reached the end.