Wages, factory safety, lay-offs and workers’ rights.
2 opinions
সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর বা নারায়ণগঞ্জের যেকোনো শ্রমিক-পাড়ায় এখন একটা প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি শোনা যায়: "বেতন কবে দেবে?" কেউ দুই মাসের মজুরি পাননি, কারও ঈদের বোনাস আটকে আছে, কেউ এক সকালে গিয়ে দেখেছেন গেটে তালা আর একটা নোটিশ। যে খাত দেশের রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় ভরসা, সেই খাতের শ্রমিকেরাই এখন সবচেয়ে অনিশ্চয়তায়। আমরা গত কয়েক মাসের প্রতিবেদন, শ্রমিক সংগঠনের দাবি আর সরকারি পদক্ষেপ মিলিয়ে দেখেছি। এই লেখা সেই হিসাব, আর শেষে আমাদের প্রস্তাব। সংখ্যায় সংকট জুলাইয়ে প্রকাশিত "থ্রেডস আন্ডার প্রেশার" নামের এক প্রতিবেদনে জাস্টিস মেকারস বাংলাদেশ ই…
যে শ্রমিকদের হাতে আমাদের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত দাঁড়িয়ে, তাদের মাসের বেতনে এখন বাজার করা যায় না। মজুরি বাড়ানোর ঘোষণা আসে, তারপর বাসা ভাড়া আর চালের দাম সেটা খেয়ে ফেলে। ওভারটাইম না করলে সংসার চলে না, আর ওভারটাইম করলে শরীর টেকে না। কারখানার নিরাপত্তায় অগ্রগতি হয়েছে, এটা স্বীকার করি। কিন্তু হঠাৎ ছাঁটাই, বকেয়া বেতন, আর দাবি তুললেই চাকরি যাওয়ার ভয় এখনও আছে। আমরা চাই মজুরি বোর্ড দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা করুক, বকেয়া বেতনের অভিযোগ দ্রুত মীমাংসার একটা জায়গা থাকুক, আর শ্রমিক প্রতিনিধিরা যেন প্রতিশোধের ভয় ছাড়া কথা বলতে…
You have reached the end.