সমালোচনার অধিকার, অনলাইনে হয়রানি, গুজব ও ইন্টারনেটের স্বাধীনতা।
৪টি মতামত
মানুষ হিসেবে আমি নিজেকে নিতান্তই একজন ক্ষুদ্র এবং অতিসাধারণ মানুষ মনে করি সবসময় এবং এটাই মনে করতে চাই সবসময়। আসমান এবং জমিনের এই মধ্যস্তরে এই সমাজ এবং রাষ্ট্রে আমি যা কিছু দেখি আর যা কিছু বুঝি সেক্ষেত্রে আমি আমার মস্তিষ্ক এবং বিবেকের কাছে সবসময় একটাই প্রশ্ন রাখি সেটা হলো - আমি স্রষ্টা থেকে প্রেরিত এবং সেই স্রষ্টার কাছেই যাবো। দুনিয়ার এই ক্ষুদ্র এবং ক্ষণস্থায়ী জীবনে স্রষ্টার বাকী সব সৃষ্টির মতো আমিও এই পৃথিবীতে আমার নসিবে রাখা সময়টুকু পার করে যাচ্ছি। বাকীদের মতো আমিও স্রষ্টার এক অতিসাধারণ সৃষ্টি। স্রষ্টাকে খুশি করার মতো বিশেষ কিছু করতে না পারলেও আমা…
অতঃপর বেলাশেষে মানুষের জীবনে এমনও সময় আসে, যখন মানুষ দুনিয়ার সব রঙ্গমঞ্চ দেখে একা দাঁড়িয়ে হাসে..
যারেই জীবনে আপন বা ভালো মনে কইরা বিশ্বাস কইরা কিছু একটা করতে দিস সে বা তারা আপন বলেন ভালো বলেন আর বিশ্বাস যেটাই বলেন এই তিন বিষয়ের যেই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখাইছে যে আপন, ভালো আর বিশ্বাস এই তিন বিষয় থেকেই আমার বিশ্বাস উইঠা গেছে একেবারে। আপনি কাউকে আপন ভাবেন বা ভালো ভাবেন অথবা খুব বিশ্বাস করেন এতে আপনার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি কারণ অপরপ্রান্তের মানুষগুলা যদি আপনার আপন ভাবার সংজ্ঞাকে দুর্বলতা ভেবে তার প্রতি আপনার আগ্রহ বিশ্বাস নিয়ে চালাকি করতে মত্ত হয়ে পড়ে তাহলে বুঝে নিতে হবে এই ধ্বংস শুরু। এখানে প্রকৃতপক্ষে ধ্বংসটা মূলত আপনা…
একটা দেশ তখনই ঠিক হয়, যখন মানুষ ভুল দেখলে ভুল বলতে পারে। কিন্তু আমরা দেখেছি, ফেসবুকে একটা পোস্ট দিয়ে মানুষ মামলার মুখে পড়েছে, সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন, আর সাধারণ মানুষ কথা বলার আগে দুইবার ভাবতে শিখেছে। এর উল্টো দিকও আছে। গুজব আর মিথ্যা খবর কয়েক ঘণ্টায় লাখ মানুষের কাছে পৌঁছায়, আর তার দাম দেয় নিরপরাধ মানুষ। স্বাধীনতা মানে দায়িত্বহীনতা নয়। আমরা চাই মতপ্রকাশের অপরাধ আর ঘৃণা ছড়ানোর অপরাধ আইনে স্পষ্টভাবে আলাদা থাকুক, সমালোচনার জন্য কাউকে গ্রেপ্তার করা বন্ধ হোক, ইন্টারনেট বন্ধ করা যেন শেষ উপায়ও না হয়, আর তথ্য যাচাই…
আপনি শেষ পর্যন্ত পৌঁছে গেছেন।