জনগণের কথা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের একটি স্বাধীন মঞ্চ। রাজনীতি, দ্রব্যমূল্য, শিক্ষা, নিরাপত্তা—যে বিষয়গুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবন ছুঁয়ে যায়, সেগুলো নিয়ে দেশের মানুষ এখানে নিজের ভাষায় নিজের কথা বলেন, আর অন্যরা তা পড়েন, পছন্দ করেন ও মন্তব্য করেন।
আমরা কারা
আমরা কোনো সংবাদমাধ্যম নই, কোনো সংগঠনের মুখপত্রও নই। আমরা একটি নাগরিক উদ্যোগ, যার একটাই লক্ষ্য: বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা যেন একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন জায়গায় শোনা যায়। এখানে ঢাকার একজন ছাত্র আর বিদেশে থাকা একজন প্রবাসী শ্রমিকের কথার ওজন সমান।
কোনো দলের পক্ষে নই, জনগণের পক্ষে
জনগণের কথা কোনো রাজনৈতিক দল, জোট বা প্রার্থীর সঙ্গে যুক্ত নয় এবং কারও কাছ থেকে টাকা বা নির্দেশনা নেয় না। আমরা সরকার, বিরোধী দল বা কোনো প্রতিষ্ঠানের হয়ে কথা বলি না; আমরা সেই জায়গা, যেখানে জনগণ নিজেরাই কথা বলেন। লেখকের রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক, প্রতিটি মতামত একই মানদণ্ডে পর্যালোচনা করা হয়।
বাংলাদেশের আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা
আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন মেনে চলি। এর মধ্যে আছে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এবং সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ মতপ্রকাশ রক্ষা করে এবং তার সীমাও বেঁধে দেয়। ৪৩ অনুচ্ছেদ চিঠিপত্র ও যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষা করে। মানহানি, ঘৃণা, উসকানি, আর কারও ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ এখানে জায়গা পায় না। গোপনীয়তা নীতি, কুকি নোটিশ, শর্তাবলি ও নির্দেশিকা—এই চার পাতায় সেই কথা খুলে বলা আছে।
প্রকাশের আগে একজন মানুষ পড়েন
প্রতিটি মতামত প্রকাশের আগে একজন মডারেটর পড়েন, সাধারণত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে। প্রতিটি সিদ্ধান্তের কারণ জানানো হয়, আপনি সংশোধন করে আবার জমা দিতে পারেন, আর প্রতিটি পদক্ষেপ লগে থাকে। মডারেটররা আপনার বক্তব্যের অর্থ বদলান না; নীতির বাইরে যাওয়া অংশটুকুই কেবল সরান এবং তা জানিয়ে দেন।
আপনার পরিচয়, আপনার নিয়ন্ত্রণে
সাইন ইন করতে হয় শুধু জবাবদিহি নিশ্চিত করতে; প্রতিটি লেখায় আপনার নাম বা ছবি দেখানো হবে কি না, তা আপনিই ঠিক করেন। আপনার ইমেইল কখনও কাউকে দেখানো হয় না, আইপি ঠিকানা ৯০ দিনের বেশি রাখা হয় না, আর চাইলে যেকোনো সময় অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে পারেন।
কথা বলতে চান?
প্রশ্ন, অভিযোগ, সংশোধনের অনুরোধ বা সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধান—আমরা প্রতিটি বার্তা পড়ি।