লোডশেডিং, গ্যাস সংকট, বিদ্যুৎ বিল ও জ্বালানির দাম।
৩টি মতামত
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আর জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা যেন একটা রহস্যজনক থ্রিলার নাটক, যার প্রতি পর্বে থাকে নতুন কোনো চমক! একদিকে প্রচণ্ড গরমে ফ্যান ঘোরে না, অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দেখলে মাথার ভেতরের ফ্যান ঘুরতে শুরু করে। ###বর্তমানে দেশে যে খেলাগুলো চলছে, তার একটা ছোটখাটো তালিকা নিচে দেওয়া হলো: আসা-যাওয়ার ডিজিটাল খেলা: বিদ্যুৎ নাকি এখন খুব ‘সামাজিক’ হয়ে গেছে! একটু পরপরই আপনার খোঁজ নিতে চলে যায় (লোডশেডিং), আবার হুট করে এসে চমকে দেয়। বিশেষ করে গ্রামের দিকে বিদ্যুতের আগমন ঘটে অনেকটা ‘অতিথি’র মতো আসে কম, থাকে আরও কম। গ্যাসের সি…
রবিবার রাতে দাম বদলেছে। সোমবার ভোর থেকে পাম্পে ডিজেল আর একশ পনেরো নয়—একশ পঁয়ত্রিশ টাকা। পেট্রল একশ ষাট। অকটেন একশ পঁয়ষট্টি। কেরোসিন একশ পঞ্চান্ন। প্রতি লিটারে বিশ টাকা। কাগজে এক লাইন, পকেটে এক মাসের হিসাব। যে মানুষ মোটরসাইকেলে অফিস যায়, তার ট্যাংক আগে যে টাকায় ভরত, আজ সেই টাকায় কয়েক দিনের বাজার কমে যায়। যে ভ্যান, লরি আর নৌকা ডিজেলে চলে, তার ভাড়া আজকেই বাড়বে না। বাড়বে কাল—চালের বস্তায়, সবজির দরে, স্কুলভ্যানের ভাড়ায়। বিশ টাকা পাম্পে থেমে থাকে না। সে গড়িয়ে যায় সারা শহরে, সারা গ্রামে। জানুয়ারিতে ডিজেল ছিল একশ দুই টাকা।…
গরমের রাতে ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়, অথচ মাস শেষে বিল আগের চেয়ে বেশি। গ্রামে অবস্থা আরও খারাপ; সেচের সময় বিদ্যুৎ না পেলে কৃষকের ফসল মার খায়। শহরে রান্নার গ্যাস আসে ভোরে আর মাঝরাতে। আমরা শুনি সক্ষমতা বেড়েছে, কিন্তু জ্বালানি কেনার টাকা নেই। তাহলে সেই সক্ষমতার জন্য কার টাকায় ভাড়া গুনছি? এই প্রশ্নের সোজা উত্তর মানুষ পায় না। আমাদের চাওয়া: লোডশেডিংয়ের সময়সূচি আগে থেকে জানানো হোক, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের চুক্তি জনসমক্ষে আসুক, সৌরবিদ্যুতে ছাদ ব্যবহারে সহজ ঋণ থাকুক, আর দাম বাড়ানোর আগে গণশুনানি হোক এবং তার সিদ্ধান্ত মানা হোক।
আপনি শেষ পর্যন্ত পৌঁছে গেছেন।